Symphony Helio S1 Price and Specifcations BDSymphony Helio S1 Smartphone Price in Bangladesh and Symphony Helio S1 mobile specifications and reviews Symphony Helio S1 Specifications: Basic Information: Network Type: 4G Network / 3G Network / 2G Network CPU: 1.3 GHz, Octa Core/MTK6753 (64-bit Processor) GPU: Mali-T720 MP4 OS: Android V5.1 (Lollipop) Sensors: G-Sensor: Yes Proximity Sensor: Yes Light Sensor: Yes Accelerometer Sensor: Yes Magnetic Sensor: Yes Gyroscope Sensor: Yes Body: Dimension: 141.5 x 70.3 x 6.95 mm Weight: 131.5 grams Bezel: Metal Display: Display Size: 5 inch Display Type: AMOLED Resolution: HD (1280x720 pixels) Protection: Gorilla Glass 3 (Front & Back) PPI: 294 Colors: 16 M Technology: MiraVision Materials: OGS (On Cell), Full Lamination Camera: Primary camera: 13 MP Secondary camera: 8 MP Flash: Yes Zoom: Up to 4X Auto focus: Yes Camera Sensor: Sony IMX 214 Aperture: F2.0 ISO Sensitivity: High sensitivity Memory: RAM: 2 GB ROM: 16 GB Expandable Memory: Up to 32 GB Battery: Battery Capacity: 2400 mAh Battery Type: Li-Polymer Standby Time: 270 Hours (Approx.) Talk Time: 7 Hours (Approx.) Data/ Communication: Bluetooth: Yes Cellular and Wireless: Yes Cellular: Yes Data Services: 4G, LTE, HSPA+, EDGE Wi-Fi: Yes WLAN: Yes USB Mass Storage: Yes USB Modem: Yes 3.5 mm Jack: Yes OTG: Yes OTA: Yes Location: GPS, AGPS Multimedia: Audio/video players FM Radio: Yes Gesture: Blind Shot Gesture, Call Gesture, Screen Off Gesture Built-in Applications: Facebook, Office Suite Other Features: E-mail: Yes MMS: Yes |
Price (BDT): 17990/= Last Update: 23/08/2015 |
Showing posts with label BDT 15000-20000. Show all posts
Showing posts with label BDT 15000-20000. Show all posts
Sunday, 1 November 2015
Symphony Helio S1 Price and Specifcations BD
One Plus 2 Flagship Smartphone Hands On Review
One Plus 2 Flagship Smartphone Hands On Review
অনেক দিন পর, অনেক গবেষণা আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অবশেষে বের হলো One Plus এর নতুন মোবাইল, One Plus 2. যদিও অনেক ইউজারের মন ভরেনি এই স্মার্টফোন নিয়ে। অনেক কিছু বাদ পড়েছে আবার অনেক কিছু-ই হয়েছে আগের চেয়ে উন্নত তর। আর দাম রয়েছে প্রায় হাতের নাগালে।
বিস্তারিত আলোচনার আগে চলুন এক নজরে দেখে নেই এই স্মার্টফোনের বিস্তারিত অধ্যায়।
| Display | LTPS LCD capacitive touchscreen, 16M colors |
| Size | 5.5 inches (~73.3% screen-to-body ratio) |
| Resolution | 1080 x 1920 pixels (~401 ppi pixel density) |
| Protection | Gorilla Glass 4 |
| OS | Oxyzen OS (Android 5.1 Lollipop) |
| Chipset | Qualcomm MSM8994 Snapdragon 810 |
| CPU | Quad-core Cortex-A53 & Quad-core 1.8 GHz Cortex-A57 |
| GPU | Adreno 430 |
| Internal Slot | 16 GB/ 64 GB |
| Ram | 3 Gb, 4 GB |
| Battery | Non Removable 3300 mAh |
ডিসপ্লে
One Plus 2 স্মার্টফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে 5.5-inch 1080p 441ppi IPS LCD. আমরা অনেকেই আশা করেছিলাম হয়তো One plus 2 -তে QHd ডিসপ্লে ব্যবহার করা হবে, কিন্তু ঠিক One Plus 1 এর মতোই ডিসপ্লে রেজুল্যুশন রয়েছে নতুন এই স্মার্টফোনটিতে। জাপানী এক পরীক্ষায় জানা গেছে যে এই মোবাইলের Display Contrast Ratio হলো 1,500:1, কাজেই আশা হত হবার কিছু নেই, বরং অনেক ভালো এবং উন্নত রেজুল্যুশন-ই আপনারা পাবেন।
Design
ডিজাইনের দিক দিয়ে বলতে গেলে এক কথায় বলতে পারি দারুন ডিজাইন দিয়ে আপনাকে প্রথম দর্শনেই মুগ্ধ করে ফেলতে সক্ষম নতুন এই স্মার্টফোনটি। ৫টি আকর্ষণীয় ডিজাইন নিয়ে প্রথম দিকেই হাজির হবে এই স্মার্টফোনটি।
দারুণ লুকস আর ষ্টাইলিশ এই ফোনটির ডানদিকে উপরের দিকে রয়েছে Volume Rocker Button এব ঠিক তার নিচেই রয়েছে Power Button.
ফোনটির পেছনের দিকে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেল শক্তিশালী ক্যামেরা আর ডুয়াল ফ্ল্যাশ।
মোবাইলের নিচের দিকে রয়েছে ডাবল স্পিকার এবং USB Type C Charging port.
ডিসপ্লের ঠিক নিচের দিকে ঠিক মাঝ বরাবর রয়েছে হোম বাটন, আর তার ২পাশে রয়েছে ২টি ক্যাসিটিভ টাচ বাটন। আর মুলত এই হোম বাটন দিয়েই আপনি Finger Print Lock/Unlock করতে পারবেন। আর মোবাইলের ডান পাশে রয়েছে Botification button, with that you can turn on and off your notification bar.
এক নজরে One Plus 2
Finger Print Sensor
প্রথমবারের মত এই মোবাইলে ব্যবহার করা হয়েছে Finger Print Sensor, যা Galaxy S6 & iphone এর মত কাজ করবে।
Ram
Flashship Killer এই স্মার্টফোনটি ব্যবহার করা হয়েছে LPDDR4 RAM. ২টি ভার্সনের এই স্মার্টফোনটিতে 3 Gb Ram রয়েছে 16 GB Version এ, আর 4 GB Ram রয়েছে 64 GB Version এ। কাজেই এ কথা নিশ্চিত করেই বলা যায় যে এই ফোনের পারফরমেন্স নিয়ে কোন রকম প্রবলেম এর কথা কেউ বলবেনা।
Rom
আমরা ঠিক আগের মতই আশা হত, কেন না এই স্মার্টফোনটিতে ঠিক আগের ভার্সনের মতই কোন প্রকার SD Card Slot ব্যবহার করা হয়নি। ১৬ জিবি আর ৬৪ জিবি ভার্সনের মোবাইলে র্যাম ব্যবহার করা হয়েছে যথাক্রমে 3 GB & 4 GB. র্যামের দিকে কারো কোন প্রবলেম না থাকলেও Sd Card না থাকায় অনেকেই নারাজ এই মোবাইল নির্মাতাদের উপর।
Chipset & GPU
এই মোবাইলে ব্যবহার করা হয়েছে World rebowned Qualcomm’s premium-tier SoC – the Snapdragon 810 v2.1 , Qualcomm তাদের নতুন এই চিপসেট নিয়ে অনেক বিস্তর গবেষনা করেছে। বিশেষ করে অতিরিক্ত হিট হয় বলে অনেক মোবাইল নির্মাতাই এখন তাদের মোবাইলে Snapdragon 810 ব্যবহার করতে চান নি। তবে Version 2, বলে সেই রিস্ক নিয়েছে One plus. এখন দেখার বিষয় আসলেই কি অতিরিক্ত ব্যবহারে এই স্মার্টফোনের চিপসেট অতিরিক্ত গরম হয় না কি ইউজার ফ্রেন্ডলি ব্যবহার করা যাবে।
আর video দেখা বা গেমিং experience করার জন্য আপনারা পাচ্ছেন Adreno 430 GPU.
প্রসেসর
One Plus 2-তে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী অক্টাকোর প্রসেসর (Quad-core Cortex-A53 & Quad-core 1.8 GHz Cortex-A57). আমি আগেই বলেছি এই মোবাইলের পারফরমেন্স নিয়ে আপনাদের কারো কোন প্রকার অভিয়োগ থাকার কথা না। গেমিং, Video, music, multi-tasking থেকে শুরু করে সবকিছুই করতে পারবেন একে বারে ঝই-ঝক্কি আর ঝামেলা বিহীন ভাবে।
ক্যামেরা
One Plus 2 তে 13MP rear facing camera that boasts six physical lenses, a dual LED flash with f/2.0 aperture. সম্ভবত ক্যামেরাতে এখন পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে ভালো এবং শক্তিশালী সেন্সর। বিশেষ করে এই মোবাইলের সেন্সরের সাথে রয়েছে 1.3 micrometre light-collecting pixels to deliver low-light shots. রিয়ার ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছ “Rear mounted laser technology sharpens and focuses the camera in just .33 milliseconds and the wide-angle 5MP front-facing camera ensures every angle is covered.” কাজেই বুঝতেই পারছেন ছবি তোলার ক্ষেত্রে আপনি পাচ্ছেন মাথা নষ্ট করা স্বাধীনতা। এছাড়া One plus 2 তে 4K video and RAW images (Like DSLR) সাপোর্ট করে। কাজেই আপনারা যারা ছবি স্মার্টফোন কেনার সময় ক্যামেরা পারফরমেন্সের কথা চিন্তা করেন তারা বিনা দ্বিধায় এই মোবাইলের ক্যামেরা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন।
OS
আপনারা অনেকেই জানেন One Plus 1 এ ব্যবহার করা হয়েছিলো CianogenMOD এর কিটক্যাট OS. কিন্তু নানান কারণে Cianogen এর সাথে One Plus এর ঝাশেরা থাকায় One Plus নিজেরাই Develop করে Oxyzen OS, যার Android 5.1 support করে।
USB Type
এই মোবাইলে Micro USB Charging এর বদলে USB Type C ব্যবহার করা হয়েছে। আপনারা ছবি দেখলেই বুঝতে পারবেন।
কি চেয়েছিলাম আর কি পেয়েছি?
ইউজার-রা আসলে কি চায় এটা এখন আমরা বুঝতে পারি। আমি যদি আমাকে দিয়ে বিবেচনা করি তাহলে আমি Expectation এর কথা তুলে ধরি।
My Expectation | What I got |
| 16/20 MP camera | 13 MP |
| Quad HD Display | Full HD Display |
| Super Amoled Displa | IPS LCD Display |
| Fast Charging | Normal, as before |
| SD card Slot | NO extra SD card Slot |
| Removable battery | NON Removable Battery |
| Water Proof | Not Avalable |
| Metal Body | As like one plus 1 |
ব্যাটারি
One Plus 2 ব্যবহার করা হয়েছে 3300 mAh Non removable ব্যাটারি যার ব্যাটারি ক্যাপাসিটি এবং আগের ভার্সনের থেকে বেশি।
দাম
আমি আগেই বলেছি এই মোবাইলের মেট ২টা ভার্সন রয়েছে 16 GB & 64 GB. 16 GB ভার্সনের দাম রাখা হয়েছে $ 329, যা আমি বলবো একেবারে হাতের নাগালে আর 64 GB ভার্সনের দাম রাখা হয়েছে $ 389 যা আমার কাছে মোবাইলের কনফিগাররেশ অনুযায়ী একেবার পারফেক্ট মনে হয়েছে। One Plus এর CEO Pete Lau তার ঘোষনা অনুযায়ী আসলেই কথা রেখেছেন এবং এই মোবাইলের দাম সহনশীল পর্যায়ে রেখেছেন। বিশেষ করে যদি আমরা Samsung, Sony, LG, Oppo, আর iphone এর কনফিগারেশনের কথা চিন্তা করি তাহলে চোখ বুজে বলতে পারি আপনি প্রায় অর্ধেক দামেই পাবেন সেম কনফিগারের মোবাইল।
কি বলেন আপনারা? দামের সাথে কি আপনাদের কোন আপত্তি আছে? বিশেষ করে যদি Samsung, Sony, LG, Oppo, আর iphone এর তুলা করি তখন কি বলবেন?
রিভিউ-এ অনেক কিছু লিখতে চেয়েছিলাম। অনেক কিছু অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। আশা করছি অল্প কয়েকদিনের মাঝ্যে Galaxy S6 এর সাথে এই মোবাইলের একটা Compare review করবো।
Walton Primo S4 Smartphone Hands On Review - ওয়ালটন মোবাইল হ্যান্ডস অন রিভিউ
আপনারা যারা স্মার্টফোন কেনার কথা ভাবছেন তাদের জন্য ওয়ালটন নিয়ে এল এস সিরিজের ওয়ালটন প্রিমো এস ৪ যা এক কথায় অসাধারন। স্মাট মোবাইল গুলোর মধ্যে ওয়ালটন প্রিমো এস ৪ ডিভাইসটিতে রয়েছে আধুনিকতার বিপুল ছোঁয়া। ওয়ালটন প্রিমো এস ৪ ডিভাইসটিতে রয়েছে আকষনীয় লুকস, গুড ফিচার, হাই কোয়ালিটি ক্যামেরা, স্লিম বডি সহ আরও অনেক কিছু। চলুন এক ঝলকে দেখে নেয়া যাক ওয়ালটন প্রিমো এস ৪ ডিভাইসটি কেন এত অসাধারে এবং কি কি রয়েছে এই আকষনীয় ডিভাইসটির মধ্যে।
| অপারেটিং সিস্টেম | অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪.২ কিটকাট |
| ডিসপ্লে | ৫ ইঞ্চির পিওর ব্ল্যাক আইপিএস |
| প্রসেসর | ১.৩৭ ওকটা কোর প্রসেসর |
| র্যাম | ২ গিগাবাইটের র্যাম |
| রোম | ৩২ গিগাবাইটের রোম |
| জিপিউ | মালি ৪৫০ জিপিউ |
| রিয়ার ক্যামেরা | ১৩ মেগাপিক্সেল |
| ফ্রন্ট ক্যামেরা | ৮ মেগাপিক্সেল |
| সিম সাপোর্ট | ডুয়েল সিম |
| ব্যাটারি | ২,২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি |
প্রথমে বলব এই মোবাইলের বক্সে কি কি আছে মানে কি কি পাচ্ছেন আপনারা মোবাইলটির সাথে।মোবাইলটির বক্রটি খুললে প্রথমে পাবেন প্রিমো এস ৪ ডিবাইসটি সাথে চারজার, উন্নত মানের হেড ফোন যার সাউন্ড কোয়ালিটি অনেক ভালো,ইউ এসবি ডেটা ক্যাবল , সোজিলিটি গুল এবং সব শেষে ওয়ারেন্টি কাড।
প্রিমো এস ৪ ডিভাইসটির মূল আকষন এর বিল্ড কোয়ালিটি। মোবাইরটির দুইপাশের গ্লাসে প্রটেকশন রয়েছে । ব্যক সাইডে রযেছে ড্রাগন টেইল গ্লাস এবং ফ্রন্ট সাইডে রয়েছে থাড জেনারেশন ক্রনিক গরিলা গ্লাস এই ডিভাইসটি অনায়েসে এক হাতে দিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন।
এর বাম পাশের প্যানেলে রয়েছে লক বাটন এবং তার উপরে একটি মাইক্রোসিমসলট ডান পাশে ভলিয়ম রকার এবং মেমরি কাডস্লট রয়েছে। এই ম্যমরিকাড স্লটে ম্যমরিকাড ব্যবহার না করে আপনি চেইলে ন্যন সিম ব্যবহার করতে পারবেন।
ব্যাক প্যানেলের উপরের দিকে বামে রয়েছে ১৩ মেগাপিকক্সেল ক্যামেরা সাথে ফ্ল্যাসলাইট। নিচের দিকে রয়েছে প্রিমো এস ৪ ব্রান্ডিং লোগো এবং অফিসিয়াল ইনফরমেশন।ফ্রন্ট প্যানেলের উপরের দিকে রয়েছে ফ্রান্ট ফেসিং ফ্ল্যাসলাইট এ্যারপিস, ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং কেম নিচের দিকে তিনটি ডাচ ক্যাপাসিটির বাটনস।মোবাইল ফোনটির একদম উপরের দিকে রয়েছে ৩.৫ এমএম অডিও পোট, নিচের দিকে রয়েছে মাইক্রোইউএসবি পোট।
মোবাইরটির দৈঘ্য ১৪২.৬ মিলিমিটার প্রস্থ্য ৭০.৭ মিলিমিটার। এছারা ব্যাটারি সহ মোবাইলটির ওজনমাত্র ১২৯ গ্রাম।চলুন দেখে নেয়া যাক আর কি কি আছে এই স্মাট ফোনটিতে
অপারেটিং সিস্টেম
মোবাইলটিতে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে পাবেন এন্ড্রয়েড ৪.৪.২ কিটকেট।
ডিসপ্লে এবং টাচ
এর আগেই আপনাদেরকে বলা হয়েছে এ ডিভাইসটির ডিসপ্লেতে ব্যাবহার করা হয়েছে ক্রনিক গরিলা গ্লাস।ক্রনিক গরিলা গ্লাস ব্যবহার করার কারনে ডিভাইসটি তেমন কোন স্ক্যচ পরার সম্ভবনা নাই।এর ৫” পিউর আইপিএস ডিসপ্লেতে আপনারা (১৯২০ x ১০৮০) পিক্সিলের ভিডিও দেখতে পারবেন কোন প্রকার লেকিং ছারাই।এই মোবাইলের ডিসপ্লেতে ৫ আঙ্গুল পযর্ন্ত মাল্টিটিাচ সাপোট করে।
ক্যামেরা
এস ৪ এর ক্যামেরা এক কথায় অনেক ভালো।এর ক্যামেরায় তোলা ছবিগগুলোর সাপনেস ও কালার টোনগুলো অনেক চমতকার। এতে আছে বি এস আই ১৩ মেগাপিকক্সেল অটোফোকাস রেয়ার ক্যামেরা যার কারনে লোলাইটেও ওনায়েসে ছবি তোলাযাবে। ফ্রন্টে রয়েছে ডিএইচএস সেস্নরযুক্ত ৮ মেগাপিক্সেল অটোফোকাস ক্যামেরা।যারা সেলফি তুলতে ভালোবাসে তাদের জন্য এই মোবাইলটি বেশ হবে।মোবাইলটি দিয়ে আপনারা১০৮০পি৩০এফপিএস ভিডিও রেকোডিং করতে পারবেন।
রোম ও র্যাম
এই মোবাইলে রয়েছে ২ গিগাবাইট র্যাম এবং ৩২ গিগাবাইট রম, র্যামের মধ্যে ইউজার এভেইলেবল র্যাম পাবেন প্রায় ১,৭ গিগাবাইট আর ৩২ গিগাবাইট রমের মধ্যে আপনারা ২৫.৮২ গিগাবাইট আপনারা Unified storage হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। আর বাকি যায়গা টুকু মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম এবং Built in apps install এ ব্যবহৃত হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রয়োজন অনুয়ায়ী মেমরি কার্ড ইউজ করার সুবিধা আছে সর্বোচ্চ ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত।
গেমিং
ডিভাইসটিতে ১.৩ প্লাস জিবি র্যাম ফ্রি পাবেন আর তাই এস৪ থেকে ভালো মাল্টিটাস্কিং এবং পারফরমেস্ন পাবেন।গ্রাফিক্রসের জন্য রয়েছে মাল্টি ৪৫০ এমপি আর ভালো র্যাম গ্রাফিক্স প্রসেসিং এর জন্য এর মধ্যে সকল হাই রেফিনেশনের গেমসগুলো সহজেই খেলতে পারবেন।এই মোবাইলটিতে আমি যেই গেমস গুলো খেলেছি সব গেমস গুলো খুব ইস্মুথলি চলেছে ও কোন লেক ছিল না।ডিভাইসটি ওটিজি সাপোটেড হওয়ায় এর মধ্যে আপনি জয়েসটিভ ব্যবহার করে খেলতে পারবেন।শুধু জয়েসটিভি নয় পেনড্রাইভ, মাউস থেকে শরু করে যে কোন ধরনের ইউসবি এক্সাসারিস ব্যবহার করতে পারবেন।
ব্যাটারি ব্যাকাপ
প্রিমো এইচ ৪ মোবাইলটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ২২০০ mAh নন রিমুভএবল ব্যাটারি।৫”ডিসপ্লেরে জন্য এই মোবাইলের ব্যাটারি ব্যাকাপ যথেষ্ট ভালো বলে মনে করছি। অন স্ক্রিনে বসে গেমস খেললে বা নেট ব্যবহার করলে মোবাইলের চাজতো একটু তাড়াতাড়ি শেষ হবে আর সেটা যত ভালো মোবাইলই হোক না কেন।
দুবলতা
সত্যি বলতে এই ডিভাইসটিতে তেমন কোন লেকিং খুজে পাওয়া যায়নি।মোবাইলটি দুই পাশে গ্লাসের হওয়ায় অনেক বেশি সময় ব্যবহারের ফলে একটু গড়ম হতে পারে এছারা তেমন কোন সমস্যা নেই।বন্ধুরা আমার মনে হয় যখন আপনারা এই মোবাইলটি ব্যবহার করবেন তখন আপনারাও আমার সাথে একমত হবেন।
দাম
ওয়ালটন প্রিমো এস ৪ দাম নিধারন করা হয়েছে ১৫৯৯০ টাকা।অনেকের কাছে মনে হতে পারে দামটা একটু বেশি । আমি বলবো ভালোকিছু পেতে হলে দামটাকে বড় করে না দেখে পন্যের কোয়ালিটিটাকে দেখতে ।আর ভালো পারফরমেস্ন পেতে হলে দামতো একটু বেশি হবেই।
মতামত
আমাকে যদি কেউ প্রশ্ন করে ওয়ালটন প্রিমো এস ৪ মোবাইলটি কেমন আমি এক কথায় বলবো মোবাইলটি যথেষ্ট ভালো।যদি কেউ বাজেটের কথা চিন্তা না করে তাহলে ওয়ালটন প্রিমো এস ৪ মোবাইলটি যে কারোর জন্য হতে পারে একটি স্টাইলিশ যুগউপযোগী মোবাইল।তারপরও আমি একটা কথা না বলে পারছি না বন্ধুরা সবপ্রথম নিজ পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে যাচাই ও বাছাই করে যেটা আপনার জন্য উপযুক্ত সেটাই কিনুন।
Subscribe to:
Posts (Atom)


